স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো দু‘দিন ব্যাপী সাহিত্য উৎসব
-
- - নিউজ -
- ডেস্ক --
- ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
“যুদ্ধ নয়, গাই জীবনের জয়গান”-এই মানবিক ও জীবনমুখী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো ৮ম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য উৎসব ২০২৬। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ফোরামের আয়োজনে গত ২৫ ও ২৭ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী এ উৎসব প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ও সৃজনশীলতার আবহে সম্পন্ন হয়।
উৎসবের প্রথম দিন (২৫ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য প্রতিযোগিতা। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষার্থীরা কবিতা ও গল্প লিখন, আবৃতি ও সাহিত্য কুইজ সহ মোট চারটি ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। তরুণ লেখকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনটি হয়ে ওঠে সাহিত্যচর্চার এক উজ্জ্বল মিলনমেলা।
দ্বিতীয় দিন (২৭ এপ্রিল) ছিল মূল আয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য ড. শরীফ নাফে আস-সাবের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি লেখক ও ঔপন্যাসিক নাসরীন জাহান, কথাসাহিত্যিক মোজাফফর হোসেন এবং সুইজারল্যান্ডের কবি ও দার্শনিক রেটো রে শেফার। তাঁদের উপস্থিতি ও বক্তব্যে অনুষ্ঠানটি পায় ভিন্নমাত্রা; সাহিত্য, মানবতা ও বিশ্বসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ন দিক উঠে আসে আলোচনায়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি সাহিত্য ফোরামের কনভেনর শারমিন সিদ্দিকী সোমা, উপদেষ্টা সাকিরা পারভীন, জাকিয়া নূর মতিন ও মোকাররম হোসেন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
দিনব্যাপী আয়োজনে সাহিত্য প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি আয়োজন করা হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। তরুণদের সৃজনশীল প্রকাশ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে অনুষ্ঠানটি পায় উৎসবমুখর রূপ।
এদিনই সাহিত্য ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৫-এর সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেন। তাঁদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নতুন প্রজন্মের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় এবারের আয়োজন।
সার্বিকভাবে, সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে শান্তি, মানবতা ও জীবনের জয়গান ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত এ উৎসব তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল চর্চায় আরও অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।