১৪৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার টানা দুই বলে ফাইফার, বিধ্বস্ত পাকিস্তান
-
- - নিউজ -
- ডেস্ক --
- ২০ অগাস্ট, ২০২৬
হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলতে নেমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭১ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। তাদের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেওয়ার পথে স্বাগতিকদের পক্ষে ৫টি করে উইকেট নিয়েছেন জশ টাং এবং ওলি রবিনসন। ১৪৯ বছরের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবার তারা পরপর দুই বলে ফাইফার পূর্ণ করেছেন।
৪৮.১ ওভারেই থেমেছে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস। যেখানে সফরকারীদের শেষ দুই ব্যাটার খুররাম শেহজাদ ৪৮তম ওভারের প্রথম বল এবং মুহাম্মদ আব্বাস ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে আউট হন। আর তাতেই পরপর দুই বলে যথাক্রমে রবিনসন ও টাং ব্যক্তিগত ৫ উইকেটের কীর্তি গড়েন। এর একই ইনিংসে দুই বোলারের ফাইফারের অনেক নজির থাকলেও, ক্রিকেট ইতিহাসে পরপর দুই বলে এই মাইলফলক দেখা গেল প্রথমবার।
এর আগে ইনিংসের প্রথম বলেই ইতিহাস গড়েছেন রবিনসন। আজান আওয়াইসের প্যাডে বল লাগতেই ইংলিশ পেসারের আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল ওঠান আম্পায়ার ক্রিস গাফনি। রিভিউ নিলেও মিডল স্টাম্পের ওপরের অংশে আঘাত করতে যাওয়া বলটি আজানের বিদায় নিশ্চিত করল দ্বিতীয়বার। এর মধ্য দিয়ে প্রথম বোলার হিসেবে ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজের প্রথম বলে উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন রবিনসন।
রানের খাতা খোলার আগে শুরু, এরপর ৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। সফরকারীরা ইনিংসের সেরা জুটি পায় তৃতীয় উইকেটে। ইমাম-উল-হক ও আব্দুল্লাহ শফিক মিলে ৯১ রানের জুটি গড়েন। ইমাম ৪২ এবং শফিক ৬১ রানে আউট হওয়ার পর আর কেউই পথ দেখাতে পারেননি পাকিস্তানকে। ফলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০০ সালের পর টেস্টে পঞ্চম সর্বনিম্ন ১৭১ রানেই সালমান আলি আগার দল অলআউট।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথমবার (পেসার হিসেবে) একই ইনিংসে ৫টি করে উইকেট নিলেন রবিনসন এবং টাং। সবমিলিয়ে যা ইংলিশ বোলার হিসেবে ১১তম ঘটনা। আর পাকিস্তানের বিপক্ষেই একই ইনিংসে ফাইফারের কীর্তি হয়ে গেল চারবার। সর্বশেষ ২০০৬ সালে এই প্রতিপক্ষের সঙ্গে একই ইনিংসে স্টিভ হারমিশন ও মন্টি পানেসর ফাইফার নিয়েছিলেন।
এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথমদিন শেষ হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১১২ রান। বেন ডাকেট ১৫ এবং এমিলিও গে ৩৫ রান করে আউট হয়েছেন যথাক্রমে আব্বাস ও মোহাম্মদ আলির বলে। এ ছাড়া সিরিজটি দিয়ে অধিনায়কত্বে ফেরা জো রুট ৩৭ এবং জর্ডান কক্স ২৩ রানে অপরাজিত আছেন। পাকিস্তানের চেয়ে স্বাগতিকরা কেবল ৫৯ রানে পিছিয়ে।