বৈধ আমদানি নেই, তবুও বাজারজুড়ে অবৈধ শেভিং ব্লেড হুমকিতে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো
-
- - নিজস্ব -
- প্রতিবেদক --
- ২৫ মার্চ, ২০২৬
দেশে বর্তমানে শতকোটি টাকার শেভিং ব্লেড চোরাচালানের এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বেল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে জিলেট ইন্ডিয়ার সাথে অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউশন চুক্তি বাতিল করলেও, বাজারে অবৈধ জিলেটের আধিপত্য একটুও কমেনি। বরং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সীমান্ত দিয়ে তা দেদারসে ঢুকছে।
সংবাদমাধ্যমের পরিসংখ্যান বলছে, চোরাচালানের এই মাত্রা ভয়াবহ। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পৃথক অভিযানে প্রায় ৭ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়, যার মধ্যে বিপুল পরিমাণ জিলেট শেভিং ব্লেড ছিল। এরপর ১৮ জুলাই ২০২৫ তারিখে এক প্রতিবেদনে বিএসএস জানায়, সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে ৬ কোটি টাকার অবৈধ কসমেটিকস ও জিলেট শেভিং ব্লেড জব্দ করা হয়।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানেই এই অবৈধ জিলেট ব্লেড বিক্রি হচ্ছে। বৈধ পথে আমদানি বন্ধ থাকার পরও পাইকাররা কোথা থেকে এসব পণ্য পাচ্ছেন, সে বিষয়ে তারা মুখ খুলতে নারাজ।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, যারা নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কাঁচামাল এনে, দেশে কারখানা স্থাপন করে উৎপাদন করেন এবং হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন, সেই দেশীয় শেভিং ব্লেড প্রস্তুতকারকরা বড় ধরনের হুমকিতে রয়েছেন। অবৈধ ব্লেডের এই কালোবাজার ভাঙতে না পারলে দেশীয় শিল্প ও রাজস্ব খাতের নীরব ক্ষয় ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।