প্রথমার্ধে জর্ডানের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

জিওভান্নি লো সেলসোর পর লাউতারো মার্টিনেজের গোলে দ্বিগুণ লিড পেয়ে বিরতিতে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। জর্ডানের বিপক্ষে ‘জে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচটি বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি বেঞ্চ পরীক্ষার মিশন হিসেবে নিয়েছেন। দুজন বাদে বদলে ফেলেছেন আগের ম্যাচের পুরো একাদশ। তাদের নিয়েই প্রথমার্ধ পেলেন দুই গোলের লিড।

আগের দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনার করা পাঁচটি গোলই ছিল লিওনেল মেসির পায়ে। এমনকি তিনি আসরের সর্বোচ্চ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। ফলে মেসিহীন আর্জেন্টিনার হয়ে আজ (রোববার) কে গোল করবেন সেই প্রশ্ন ছিল। দারুণ এক ফ্রি-কিকে লো সেলসো এবং পেনাল্টিতে লাউতারো মার্টিনেজ গোল করে যেন সেই উত্তরটাই দিলেন।

প্রথমার্ধে একপেশে দাপট দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। তাদের পায়ে বলের দখল ৭২ শতাংশ, এর বাইরে গোলের লক্ষ্যে ৪ শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে ৩ শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না জর্ডানের। উল্টো বক্সের সামনে এবং গোলমুখে দুটি ফাউল করে প্রতিপক্ষকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আর্জেন্টিনা প্রথম লিড পায় ১৯ মিনিটে, দারুণ এক ফ্রি-কিকে গোলটি করেন লো সেলসো।

এর আগে তিনি বল নিয়ে জর্ডানের বক্সে ঢোকার মুখে কড়া চ্যালেঞ্জে ফেলেন আবু তাহা। রেফারি ফ্রি-কিক দিলে আর্জেন্টিনার এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বাঁ পায়ে নিখুঁত শট নিয়েছেন। সামনে জর্ডানের মানব দেয়ালের পাশের ফাঁকা জায়গায় গোলবার ঘেঁষে নেওয়া শটটি যেন ঠেকানোরও চেষ্টা করলেন না জর্ডান গোলরক্ষক। বিশ্বকাপে নিজের গোল পেলেন লো সেলসো। 

৩০ মিনিটের মাথায় নিকোলাস তালিয়াফিকোর লো ক্রসে বল পেয়ে লাউতারো মার্টিনেজ শট নিলে ঠেকিয়ে দেন জর্ডান গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবু লায়লা। এরপর ফিরতি বলে হেড দেন হুলিয়ান আলভারেজ। কিন্তু বল ক্লিয়ারের চেষ্টায় তাকে বুট দিয়ে আঘাত করেন এহসান হাদ্দাদ। অথচ আলভারেজের হেডটিও হাত ছুঁয়ে দারুণভাবে বারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন জর্ডান গোলরক্ষক। কিন্তু তার অনবদ্য দুই সেভই ভেস্তে গেল সতীর্থের ফাউলে। স্পটকিকে চলতি আসরে নিজের প্রথম গোল করতে ভুল হয়নি লাউতারোর।

পাঠকের মন্তব্য