অন্ধত্ব সব সময় নিয়তির লিখন নয়: বাংলাদেশের চোখের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কী বদলাতে পারে?
-
- - নিউজ -
- ডেস্ক --
- ৯ অক্টোবর, ২০২৬
প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিহানি, সময়মতো রোগ শনাক্তকরণ, সাশ্রয়ী চশমা এবং সবার জন্য মানসম্মত চক্ষুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এখনই সময়।
একজন কৃষক সকালে মাঠে যান। জমির আইল ধরে হাঁটতে গিয়ে তিনি আগের মতো স্পষ্ট দেখতে পান না। একজন বয়স্ক নারী ঘরের পরিচিত জিনিসপত্র চিনতে কষ্ট পান। স্কুলপড়ুয়া একটি শিশু বোর্ডের লেখা পড়তে না পেরে ধীরে ধীরে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। এই তিনটি মানুষের সমস্যা আলাদা, বয়স আলাদা, জীবনযাপনও আলাদা। কিন্তু তাদের সবার অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি মিল রয়েছে—দৃষ্টিশক্তির সমস্যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন, কাজ, শিক্ষা ও স্বাধীনতাকে সীমিত করে দিতে পারে।
প্রশ্ন হলো, এসব সমস্যার কতগুলো সময়মতো শনাক্ত করা সম্ভব ছিল? কতজন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেয়েছেন? আর কতজন অর্থের অভাব, সচেতনতার ঘাটতি কিংবা চিকিৎসাসেবার দূরত্বের কারণে দিনের পর দিন ঝাপসা পৃথিবী নিয়েই বেঁচে আছেন?
অন্ধত্ব বা দৃষ্টিহানি সব সময় নিয়তির লিখন নয়। অনেক ক্ষেত্রে যথাসময়ে রোগ শনাক্তকরণ, সঠিক চশমা, ওষুধ, অস্ত্রোপচার কিংবা উপযুক্ত পুনর্বাসনের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা বা দৈনন্দিন জীবনযাত্রার উন্নতি ঘটানো সম্ভব। বাংলাদেশের চোখের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার শুরু হওয়া উচিত এই উপলব্ধি থেকেই।
চোখের সমস্যা শুধু ব্যক্তিগত দুর্ভোগ নয়
দৃষ্টিশক্তি মানুষের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একজন শিশু বোর্ডের লেখা দেখতে না পেলে তার শেখার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। একজন কর্মজীবী মানুষ দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণে কাজের গতি হারাতে পারেন। একজন প্রবীণ মানুষ ঠিকমতো দেখতে না পেলে চলাফেরা, রান্না, ওষুধের নাম পড়া কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
এর প্রভাব ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পরিবারের অন্য সদস্যকে পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হতে পারে, কর্মঘণ্টা কমে যেতে পারে এবং চিকিৎসার ব্যয় পরিবারের আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে। ফলে চোখের স্বাস্থ্যকে কেবল চক্ষু বিশেষজ্ঞের চেম্বারের বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। এটি শিক্ষা, কর্মক্ষমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দৃষ্টিভঙ্গিতেও চোখের স্বাস্থ্যকে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য হওয়া উচিত, মানুষ যেন শুধু চিকিৎসার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানে তা নয়, বরং প্রয়োজনের সময় মানসম্মত সেবা গ্রহণের বাস্তব সুযোগও পায়।
যে দৃষ্টিসমস্যার সমাধান সম্ভব, তা যেন অচিকিৎসিত না থাকে
দৃষ্টিহানির সব কারণ এক নয়। প্রতিসরণজনিত ত্রুটি—যেমন মায়োপিয়া বা দূরের জিনিস ঝাপসা দেখা, হাইপারোপিয়া এবং অ্যাস্টিগম্যাটিজম—অনেক ক্ষেত্রে সঠিক চশমার মাধ্যমে সংশোধন করা যায়। ছানির ক্ষেত্রে উপযুক্ত সময়ে অস্ত্রোপচার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে গ্লুকোমা, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও কিছু রেটিনার রোগে দৃষ্টিশক্তি রক্ষার জন্য দ্রুত শনাক্তকরণ এবং নিয়মিত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন: সব ধরনের দৃষ্টিহানি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়। কোনো কোনো রোগে হারানো দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। তবু সময়মতো চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে আরও অবনতি ঠেকাতে পারে, অবশিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ব্যবহার করতে সাহায্য করতে পারে এবং রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে।
অতএব, চোখের স্বাস্থ্য নিয়ে জনসচেতনতার মূল বার্তা হওয়া উচিত—সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা নয়, দ্রুত মূল্যায়ন; আর রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়া নয়।
বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ: শনাক্তকরণ থেকে চিকিৎসা পর্যন্ত
বাংলাদেশে সরকারি হাসপাতাল, বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে চোখের চিকিৎসা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তবে সেবা কোথায় আছে, তা জানার পাশাপাশি সেবা মানুষের নাগালে কতটা পৌঁছাচ্ছে, সেটিও মূল্যায়ন করা দরকার।
একটি প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষকে চোখ পরীক্ষা করাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হতে পারে। কারও পক্ষে যাতায়াতের খরচ বহন করা কঠিন হতে পারে। আবার কেউ হয়তো বুঝতেই পারেন না যে তার দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন কোনো রোগের লক্ষণ। এসব বাধা দূর না হলে হাসপাতাল বা চিকিৎসাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে বৈষম্য থেকে যেতে পারে।
বিশেষত দরিদ্র পরিবার, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বয়স্কদের জন্য সেবা গ্রহণের পথ সহজ করা প্রয়োজন। চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ যেন মানুষের আয়, বাসস্থান বা সামাজিক অবস্থানের ওপর অতিরিক্তভাবে নির্ভর না করে।
প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ
চোখের স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্কুলে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত চোখ পরীক্ষা, বয়স্কদের দৃষ্টিসমস্যা মূল্যায়ন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে অনেক সমস্যার ঝুঁকি আগে থেকেই চিহ্নিত করা সম্ভব।
তবে শুধু চোখ পরীক্ষা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। স্ক্রিনিংয়ে কোনো সমস্যা ধরা পড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, সঠিক চশমা কিংবা বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকতে হবে। পাশাপাশি রোগী পরবর্তী চিকিৎসা নিয়েছেন কি না, সেটিও অনুসরণ করা জরুরি।
স্কুলভিত্তিক উদ্যোগের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। কোনো শিশু বোর্ডের লেখা দেখতে না পারলে তাকে শুধু সামনের বেঞ্চে বসিয়ে দিলেই যথেষ্ট নয়। তার দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা, প্রয়োজন হলে চশমা দেওয়া এবং সে নিয়মিত চশমা ব্যবহার করছে কি না খোঁজ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের সাফল্য নির্ভর করবে একটি ধারাবাহিক ব্যবস্থার ওপর—সচেতনতা, পরীক্ষা, রেফারেল, চিকিৎসা এবং ফলোআপ।
সাশ্রয়ী চশমা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি
চশমা অনেক মানুষের জন্য দৃষ্টিশক্তি সংশোধনের সহজ ও কার্যকর উপায়। কিন্তু চশমার প্রয়োজন জানা আর উপযুক্ত চশমা হাতে পাওয়া এক বিষয় নয়। পরীক্ষা, লেন্স, ফ্রেম এবং যাতায়াতের খরচ কোনো কোনো পরিবারের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চশমার ব্যবস্থা, স্কুলপড়ুয়া শিশুদের প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় মানসম্মত অপটিক্যাল সেবা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে চশমার মান, সঠিক পাওয়ার নির্ধারণ এবং পেশাগত মূল্যায়নের বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে। কম খরচের নামে নিম্নমানের বা অনুপযুক্ত চশমা সরবরাহ করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
ছানি বা রেটিনার রোগের মতো সমস্যায় শুধু চশমা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচার, ওষুধ, বিশেষায়িত পরীক্ষা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি ফলোআপ। ফলে চোখের স্বাস্থ্যব্যবস্থার পরিকল্পনায় প্রতিটি রোগের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
প্রযুক্তি ও জনবল: সেবার মান বাড়ানোর দুই ভিত্তি
আধুনিক প্রযুক্তি চোখের রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ডিজিটাল রেটিনা ইমেজিং, টেলি-অপথালমোলজি এবং দূরবর্তী পরামর্শের ব্যবস্থা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে বিশেষজ্ঞসেবা পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ডায়াবেটিস রোগীর রেটিনার ছবি প্রশিক্ষিত কর্মীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে বিশেষজ্ঞের কাছে মূল্যায়নের জন্য পাঠানো যেতে পারে।
তবে প্রযুক্তি কখনোই প্রশিক্ষিত জনবল ও মানসম্মত চিকিৎসার বিকল্প নয়। প্রয়োজন পর্যাপ্ত চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষিত অপটোমেট্রিস্ট, দক্ষ চক্ষুস্বাস্থ্যকর্মী এবং কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা। পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয়, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগীর তথ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনাও নিশ্চিত করতে হবে।
চিকিৎসার মান বাড়াতে শুধু কতজন রোগী পরীক্ষা করলেন বা কতটি অস্ত্রোপচার হলো, তা গণনা করলেই চলবে না। রোগীর দৃষ্টিশক্তি কতটা রক্ষা পেল, প্রয়োজনীয় চশমা পেলেন কি না, চিকিৎসার পর নিয়মিত অনুসরণ করা হলো কি না—এসব ফলাফলও মূল্যায়ন করা দরকার।
চোখের স্বাস্থ্যকে জাতীয় অগ্রাধিকার করতে হবে
বাংলাদেশের চোখের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে কয়েকটি পদক্ষেপ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে চোখের স্বাস্থ্যকে আরও ভালোভাবে যুক্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনভিত্তিক দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। তৃতীয়ত, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী পরীক্ষা, চশমা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে হবে।
চতুর্থত, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। পঞ্চমত, কোন এলাকায় কী ধরনের চোখের রোগ বেশি, কতজন চিকিৎসা পাচ্ছেন এবং কোথায় সেবার ঘাটতি রয়েছে—এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ছাড়া সীমিত সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহার করা কঠিন।
এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চোখে ঝাপসা দেখা, হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, চোখে আঘাত বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাকে অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে গেলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
শেষ কথা: দৃষ্টিশক্তি রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব
একটি শিশু যেন শুধু প্রয়োজনীয় চশমার অভাবে শ্রেণিকক্ষে পিছিয়ে না পড়ে, একজন শ্রমিক যেন চিকিৎসার অভাবে কাজের সক্ষমতা হারানোর ঝুঁকিতে না থাকেন, আর একজন প্রবীণ মানুষ যেন চিকিৎসাযোগ্য সমস্যার কারণে অপ্রয়োজনীয় নির্ভরশীলতায় না ভোগেন—এমন বাংলাদেশ গড়াই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।
অন্ধত্ব সব সময় নিয়তির লিখন নয়। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং সেবার আর্থিক ও ভৌগোলিক বাধা কমানো মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। তবে এই পরিবর্তন কোনো একক হাসপাতাল, চিকিৎসক বা সচেতনতামূলক দিবসের পক্ষে একা সম্ভব নয়।
প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকর্মী, নীতিনির্ধারক এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ। বিশ্ব দৃষ্টি দিবসের বার্তা তাই শুধু চোখের যত্ন নেওয়ার আহ্বান নয়; এটি এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার, যেখানে দৃষ্টিশক্তি রক্ষার সুযোগ সবার জন্য থাকবে।
কারণ, পরিষ্কারভাবে দেখার সুযোগ কোনো বিলাসিতা নয়—এটি সুস্থ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের একটি মৌলিক শর্ত।
ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান
ভিশন সায়েন্টিস্ট ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জননীতি বিষয়ক বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং গণমাধ্যম লেখক